Breaking News

ছন্দে ছন্দে মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ সালে যশোর জেলার কেশবপুর থানার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও রোমান্টিক কবি বলা হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবর্তক । তিনি প্রথম বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন। ১৮৪৩ সালে তিনি খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেন। ২৯ জুন ১৮৭৩ সালে তিনি কলকাতার আলিপুর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

  নাটক

   কৃষ্ণকুমারী (বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক)

   শর্মিষ্ঠা (বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক নাটক)

   রিজিয়া (অসমাপ্ত নাটক)

   সূভদ্রা (নাট্য কাব্য)

   পদ্মাবতী (কমেডি নাটক)

   মায়াকানন (বিয়োগান্ত নাটক)

মাইকেল মধুসূদন দত্ত,
মধুসূদন দত্ত বাণী,
ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
পদ্মাবতী নাটকের কাহিনী,
বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ প্রবাদটির অর্থ কি,
মধুসূদনের নাটকে পাশ্চাত্য প্রভাব,
কৃষ্ণকুমারী নাটক pdf,
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্য,
মেঘনাদবধ কাব্য,
মেঘনাদবধ কাব্য কাকে উৎসর্গ করা হয়,
মেঘনাদবধ কাব্যের নারী চরিত্র,
মাইকেল মধুসূদন দত্ত

  মনে_রাখুন –কিশোরি সূপমা

   কি=কৃষ্ণকুমারী (বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক)

   শো=শর্মিষ্ঠা (বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক নাটক)

   রি= রিজিয়া (অসাপ্ত নাটক)

    সূ-সূভদ্রা (নাট্য কাব্য)

   প=পদ্মাবতী (কমেডি নাটক)

   মা=মায়াকানন (বিয়োগান্ত নাটক

  কাব্য-

   তিলোত্তমা সম্ভব (কাহিনী কাব্য)

   মেঘনাতবধ (মহাকাব্য)

   ব্রজঙ্গনা (রাধা ও কুষ্ণ বিষয়ক গীতিকা)

   বীরাঙ্গনা (পত্রকাব্য)

   চতুর্দশপদী কবিতা (সনেট সংকলন-১০২ টি সনেট রয়েছে)

BCS POWER PLAN

  মনে_রাখুন-

মাইকেল তিলোত্তমা সম্ভব কাহিনী কাব্য লিখে তিন জন মহিলা যথা মেঘনাতবধ, ব্রজঙ্গনা ও বীরাঙ্গনা নিকট চতুর্দশপদী কবিতা লিখে পাঠালেন।

  প্রহসন

   একই কি বলে সভ্যতা

   বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।

  নোট-

  অমিত্রাক্ষর ছন্দ-যে কবিতার চরণে অন্তমিল থাকে না তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে।

  প্রহসন- সামাজিক যে কোন বিষয়ের অসঙ্গতি নিয়ে রচিত নাটককে প্রহসন বলে।

  পত্রকাব্য-পত্র আকারে রচিত কাব্যকে পত্রকাব্য বলে।

  মাইকেল_মধুসূদন_দত্ত_সম্পর্কিত_তথ্যকণিকা

সনেটে বা চতুর্দশপদী কবিতায় ১৪ টি লাইন থাকে । প্রথম ৮ লাইনকে অষ্টক এবং শেষের ৬ লাইনকে ষষ্টক বলে।

মাইকেল প্রথম সার্থক নাট্যকার ও প্রহসন রচয়িতা।

বাংলা কাব্য সাহিত্যে আধুনিকতার জনক কে– মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহাকবি– মাইকেল মধুসূদনন দত্ত।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক কোনটি—কৃষ্ণকুমারী।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন—সাগরদাঁড়ি গ্রামে।

মধুসূদন খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হন-১৮৪৩ সালে।

মাইকেল মধুসূদন কোন শতাব্দীতে জীবিত ছিলেন উনবিংশ শতাব্দীতে।

দত্তকুলোদ্ভব কবি কে– মাইকেল মধুসূদন দত্ত

রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকা কোনটি–ব্রজঙ্গনা।

কপোতাক্ষ নদ কোন জাতীয় রচনা–সনেট।

অলীক কুনাট্য রঙ্গে,মজে লোক রাঢ়ে ও বঙ্গে-কার উক্তি–মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মধুসূদন যে সাহিত্য রচনা করে অমর হয়ে রয়েছেন

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক মহাকাব্য—-মেঘনাদবধ

মেঘনাদবধ কাব্যে স্বর্গ সংখ্যা ৯টি।

মেঘনাদবধ কোন ছন্দে রচিত-অমিত্রাক্ষর ছন্দে

মেঘনাদবধ কাব্যে যুদ্ধের সময় পশ্চিম দুয়ারে রক্ষক হিসেবে কে ছিলেন-বীরবল।

আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে–ভিখারী রাঘব কে-রাম।

বীরাঙ্গনা পত্র কাব্যে পত্র সংখ্যা কত–১১টি

About মোঃ জয়নাল আবদীন

আপনি আমাদের সাইটে পাবেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইন ভিক্তিক পরীক্ষা ও রেজাল্ট । Next Bcs

Leave a Reply