Breaking News

দীনবন্ধু মিত্র

 দীনবন্ধু মিত্রের জন্ম ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দ   পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।।

 তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম গন্ধর্ব নারায়ণ মিত্র। তিনি অত্যন্ত গরীব ঘরের সন্তান ছিলেন। ছোটবেলাতে  তিনি জমিদারের সেরেস্তা কাজ করতেন। তখন তার বেতন ছিল ৮ টাকা । তিনি ভেবেছিলেন তিনি বিখ্যাত হবেন তারই ধারাবাহিকতায় একদিন জমিদারের কাজ ছেড়ে তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। উদ্দেশ্য যদি সৎ হয় মহান রাব্বুল আলামিন তাকে সাহায্য করেন। তিনি কলকাতার নীলমণি মিত্র নিকট আশ্রয় লাভ করেন। সেখান থেকে তিনি লেখাপড়া শুরু করেন। তিনি অন্যের বাড়িতে গোমস্তা কাজ করতেন। এভাবে তিনি তার লেখাপড়া করতেন।

 আমরা সবাই জানি রায়বাহাদুর সরকার দিয়েছে কিন্তু কেন দিয়েছে তা কি আমরা জানি? না আমরা জানি না?

দীনবন্ধু মিত্র বিসিএস,
দীনবন্ধু মিত্রের প্রকৃত নাম কী,
দীনবন্ধু মিত্র প্রশ্ন উত্তর,
দীনবন্ধু মিত্র জীবনী pdf,
নীলদর্পণ নাটক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,
নীলদর্পণ নাটকের ছোট প্রশ্ন,
দীনবন্ধু নামে কে পরিচিত,
Nil darpan bengali,
মেলোড্রামা নাটক কাকে বলে,
পোড়া মহেশ্বর,

 আসুন জেনে নেই।  

ভারতের যুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধে তার গুরুত্বপূর্ণদায়িত্ব ডাক বিলি করা। তিনি যুদ্ধের সময় ডাক দিলি করেছেন। পাশাপাশি ভারত সরকারকে সাহায্য করেছেন। এর জন্য ভারত সরকার তাঁকে রায় বাহাদুর উপাধি প্রদান করেন১৮৭১ সালে ।

 দীনবন্ধু মিত্র ব্রটিশ শাসনামলের  ঢাকায় পোস্ট মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 তার সাহিত্য জীবন শুরু হয় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর এবং সংবাদ পত্রিকার মাধ্যমে। তিনি তার  পত্রিকায় কবিতা প্রকাশ করতেন।

 তাঁর রচিত জনপ্রিয় কাব্যগুলো হলো সুরধুনী কাব্য, দ্বাদশ কবিতা।

 দীনবন্ধু মিত্র সমাধিক খ্যাত নাট্যকার রূপে।

 সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় আর্থ-সামাজিজ ও রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লেখেন দীনবন্ধু মিত্র।

 তিনি প্রহসন রচনাও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

 ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের মদ্যপান ও বারনবণিতা সঙ্গকে ব্যঙ্গ করে তাঁর রচিত প্রহসন সধবার একাদশী (১৮৬৬).

 সমাজের প্রাচীনপন্থীদের ব্যঙ্গ করে তাঁর রচিত প্রহসন বিয়ে পাগলা বুড়ো (১৮৬৬).

তার বিখ্যাত নাটকঃ  নীলদর্পণ। প্রকাশকাল ১৮৬০।

 এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

নীলদর্পণ নাটকের প্রধান চরিত্র সমূহঃ ম

নবীন তপস্বিনী,

লীলাবতী,

কমলে কামিনী,

 সাধুচরণ

 রাইচরণ

 তোরাপ

 নবীন মাধব

 প্রহসনঃ

সধবার একাদশী। প্রকাশকাল ১৮৬৬।

বিয়ে পাগলা বুড়ো। প্রকাশকাল১৮৬৬।

জামাই বারিক

 গল্পঃ 

যমালয়ে জীবন্ত মানুষ।

পোড়া মহেশ্বর।

 নীল দর্পণ সংক্রান্ত কতিপয় তথ্যঃ

প্রথম প্রকাশিত সাহিত্য কর্ম।

এ নাটকটির ঘটনা, বিষয়চিন্তা, রচনাস্থান, প্রকাশস্থান, মুদ্রণালয়, প্রথম মঞ্চায়ন সবই বাংলাদেশে।

নীলকর সাহেবদের বীভৎস অত্যাচারে লাঞ্ছিত নীল চাষীদের দুরবস্থা অবলম্বনে রচিত নাটক।

‘নীল দর্পণ’ নাটকের কাহিনীসসূত্র বাস্তব ঘটনাকেন্দ্রিক।

এটি তিনি ঢাকায় অবস্থান কালে রচনা করেন।

এটি ১৮৬০ সালে ঢাকার প্রথম ছাপাখানা ‌‌বাংলা প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।

নাটকটি ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে প্রকাশ করেন।

এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ।

এখানে বর্ণিত কাহিনীটি মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার বিষয়ক কাহিনী।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে ‘A Native’ ছদ্মনামে নীলদর্পণ নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন। অনূদিত গ্রন্থটির নামকরণ করা হয়- ‘Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror.

অনুবাদটি প্রকাশ করেন রেভারেন্ড লঙ সাহেব। এর জন্য ইংরেজ সরকার তাকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করেন। আদালতে রায়ের পরেই বাংলা সাহিত্যে হুতুম প্যাঁচা খ্যাত কালী প্রসন্ন সিংহ অর্থদণ্ড পরিশোধ করলেও লঙ সাহেবকে এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করত হয়।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাটকটিকে Uncle Tom’s Cabin-এর সাথে তুলনা করেছেন।

নাটকটি প্রথম বারের মঞ্চায়িত হয় ঢাকায়।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র: গোলক বসু, নবীন মাধব, রাইচরণ, তোরাপ, সাবিত্রী, সরলতা, ক্ষেত্রমণি ইত্যাদি।

এ নাটক দেখতে এসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মঞ্চের অভিনেতাদের লক্ষ্য করে জুতা ছুঁড়ে মেরেছিলেন।

 বাংলা সাহিত্যের প্রথম রাজনৈতিক নাটক নীল দর্পণ।

 ‘নীল দর্পণ’ কে বাংলাদেশের নাটক বলা হয়, কারণঃ

নাটকটির কাহিনী মেহেরপুর অঞ্চলের। দীনবন্ধু ঢাকায় অবস্থানকালে এটি রচনা করেন।

নাটকটি প্রথম প্রকাশ হয় ঢাকার বাংলা প্রেস থেকে এবং প্রথম মঞ্চস্থ হয় ঢাকায়।

 সধবার একাদশীঃ

এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি বিখ্যাত প্রহসন। প্রকাশকাল ১৮৬৬।

ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাসক্তি এক শ্রেণীর যুবকের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। ‘সধবার একাদশী’ সে সামাজিক বিপর্যয়ের কাহিনী।

এই প্রহসনের নায়ক নিমচাঁদ বা নিমে দত্ত।

এই প্রহসনের ‘কেনারাম’ চরিত্রের মধ্য দিয়ে তৎকালীন শিক্ষিত শ্রেণীর নৈতিক অবস্থান এবং বিচার ব্যবস্থার হাস্যকর পরিচয় ফুটে উঠেছে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ জীবনচন্দ্র, গোকুলচন্দ্র, অটলবিহারী, ইয়ারভোলা, রামমানিক্য, নিমচাঁদ, কেনারাম, সৌদামিনী, গিন্নী, কাঞ্চন ইত্যাদি।

 বিয়ে পাগলা বুড়োঃ

এটির প্রকাশকালঃ ১৮৬৬।

এটি হাস্যরসাত্মক নাটক।

বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন, ” এই নাটক কোন জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল।”

এ নাটকটি প্রথম অভিনিত হয় ১৮৭২ সালে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ নসিরাম, রতা, রাজীব, রাজমণি, কেশব, বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।

 নবীন তপস্বিনীঃ

এটি তাঁর ২য় নাটক।

প্রকাশকাল ১৮৬৩ সাল।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র: রমণীমোহন, বিজয়,মালতী,মল্লিকা, জলধর, রতিকান্ত এবং কামিনী।

লীলাবতীঃ

প্রকাশকাল- ১৮৬৭।

এটি একটি সামাজিক নাটক।

=উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ শ্রীনাথ, হেমচাঁদ, নদের চাঁদ, সারদা সুন্দরী, ললিত এবং লীলাবতী।

 জামাই বারিকঃ

প্রকাশকালঃ ১৮৭২।

এটি একটি হাস্যরসাত্মক নাটক বাবা রম্য রচনা।

১৮৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর কলকাতার ন্যাশনাল থিয়েটারে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।

বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছেন, “জামাই বারিকের দুই স্ত্রীর বৃত্তান্ত প্রকৃত।”

এই নাটকের অন্তর্গত বিন্দুবাসিনী ও বগলার কলহ দৃশ্যটি ১৯২৬ সালে ‘জেনানাযুদ্ধ’ নামে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ বিজাবল্লভ, অভয়কুমার, কামিনী, বগলা, বিন্দুবাসিনী ইত্যাদি।

 কমলে কামিনী:

প্রকাশকালঃ ১৮৭৩।

এটি দীনবন্ধু মিত্রের দ্বিতীয় রোমান্টিক নাটক।

দীনবন্ধু রচিত সর্বশেষ নাটক।

এই নাটকের পটভূমি কাছাড় অঞ্চল।

নাটকটি ১৮৭৩ সালের ২০ ডিসেম্বর কলকাতার ন্যাশনাল থিয়েটানে সর্বপ্রথম অভিনীত হয়।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ রাজা, সমরকেতু, শশাঙ্কশেখর, গান্ধারী, সুশীলা, সুরবালা ইত্যাদি।

 মৃত্যু: ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর মাত্র ৪৩ বছর বয়সে দীনবন্ধু মিত্র মৃত্যু বরণ করেন।

বিগত বছরের প্রশ্নঃ

 যে বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার ছিলেন দীনবন্ধু মিত্র।

 বাংলা ভাষায় প্রথম আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লেখেন দীনবন্ধু মিত্র।

 “নীল দর্পণ” নাটকটির লেখক দীনবন্ধু মিত্র।

 “নীল দর্পণ” যে ধরণের রচনা নাটক।

 “নীল দর্পণ” নাটকের বিষয়বস্তু নীলকরদের অত্যাচার।

 ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নীল দর্পণ।

 “নীল দর্পণ” নাটকটি যে শহর থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় ঢাকা।

 “নীল দর্পণ” প্রথম মঞ্চস্থ হয় ঢাকায়।

 বিখ্যাত ‘নীল দর্পণ’ নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয়েছিল ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর।

 ব্রিটিশ ভারতে নিলকরদের অত্যাচারের কাহিনী উপজীব্য করে নাটক রচনা করেন দীনবন্ধু মিত্র।

 দীনবন্ধু মিত্রের যে নাটিকের অভিনয় দেখতে এসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মঞ্চে জুটা ছুঁড়ে মেরে ছিলেন ‘নীল দর্পণ’।

 ‘Uncle Tom’s Cabin’- এর সাথে তুলনা করা হয় যে নাটককে নীল দর্পণ।

 সামাজিক নাটক কোনটি? সধবার একাদশী।

 কোনটি প্রহসন? সধবার একাদশী।

 ‘লীলাবতী’ গ্রন্থটি সম্পর্কিত যে তথ্যটি সঠিক নাটক, দীনবন্ধু মিত্র।

 দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক নবীন তপস্বিনী, কমলে কামিনী, বিয়ে পাগলা বুড়ো।

 দীনবন্ধু মিত্রের রচনা কমলে কামিনী।

 দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন বিয়ে পাগলা বুড়ো।

 দীনবন্ধু মিত্রের রচনা নীল দর্পণ।

 ‘সধবার একাদশী, যে ধরনের রচনা প্রহসন।

 দীনবন্ধু মিত্র যে শ্রেণীর সাহিত্য রচনা করতেন নাটক।

ছন্দে ছন্দে তার নাটক সমূহঃ   লীলাবতী ও নবীন তপস্বিনী নতুন জামাই  বাড়িতে নীল-দর্পণ মুখ দেখে কমলে কামিনী  বিয়ের গেট সাজানো।

About মোঃ জয়নাল আবদীন

আপনি আমাদের সাইটে পাবেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইন ভিক্তিক পরীক্ষা ও রেজাল্ট । Next Bcs

Leave a Reply