Breaking News

ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক ধ্বনি ও বর্ণ । যা তুলে ধরার চেষ্ঠা করলাম।

বাগযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত অর্থবহ আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ। কয়েকটি ধ্বনি মিলিত হয়ে একটি অর্থ সৃষ্টি করে। ধ্বনিকে ভাষার মূল ভিত্তি বলা হয়। সহজ ভাবে বললে কোন ভাষার উচ্চারিত শব্দকে সূক্ষভাবে বিশ্লেষণ করলে যে ক্ষুদ্র অংশ পাওয়া যায় তাকে ধ্বনি বলে। যেমন-অ,আ,ক,খ ইত্যাদি

বর্ণঃ 

ধ্বনির ক্ষুদ্রতম অংশটিকে বর্ণনা করতে বা লিখে বুঝাতে যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাই বর্ণ অর্থাৎ ধ্বনির ভাষা লিখতে যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বলে।

ধ্বনি ও বর্ণ, একাডেমি অভিধান, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পত্রিকা, বাংলা একাডেমির মূল মিলনায়তন কার নামে, বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা, বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার, বাংলা একাডেমির ভূমিকা, বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা, বাংলা একাডেমি বানান, বাংলা একাডেমির মূল ভবনটি কার নামে,

ধ্বনি ও বর্ণ

ড.সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে–যে সব চিহ্নের দ্বারা উচ্চারিত ধ্বনি গুলোর নির্দেশ করা হয় সেই চিহ্নগুলোকে বর্ণ বলে। ধ্বনি ও বর্ণ

ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য

  • ১. মনের ভাব প্রকাশক শব্দাংশই ধ্বনি।   ধ্বনি প্রকাশক চিহ্নই বর্ণ।
  • ২. ধ্বনি কন্ঠধ্বনির সূক্ষতম মৌলিক অংশ বা একক। ধ্বনির সাংকেতিক চিহ্নই বর্ণ।
  • ৩. সকল ধ্বনিই বর্ণ  ।   সকল বর্ণ ধ্বনি নয়।
  • ৪. ধ্বনি কোন নির্দেমক চিহ্ন নয়। বর্ণ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ।
  • ৫. ধ্বনি কানে শোনা যায় কিনউ চোখে দেখা যায় না। বর্ণ কানে শোনা যায়,চোখেও দেখা যায়।
  • ৬. ধ্বরি কোনো সুস্পষ্ট রুপ নেই। বর্ণের রূপ আছে।

ধ্বনির প্রকারভেদ

ধ্বনি দুই প্রকার। যথা-  ১. স্বরধ্বনি   ও  ২. ব্যঞ্জন ধ্বনি

১. স্বরধ্বনিঃ  যে ধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে তাকে স্বরধ্বনি বলে। 

অর্থাৎ যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও বাধা পায় না তাকে স্বরধ্বনি বলে। স্বরধ্বনি মোট ১১টি। যেমন–অ,আ, ই….ঔ।

১. ব্যঞ্জন ধ্বনিঃ যে ধ্বনি স্বরধ্বরি সাহায্যে উচ্চারিত হয় তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। 

অর্থাৎ যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও বাধা পাপ্ত হয় তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। ব্যঞ্জন ধ্বনি মোট ৩৯ টি। যেমন–ক,খ,গ.ঘ…ইত্যাদি।

স্বরধ্বনির প্রকারভেদ

স্বরধ্বনির বিভিন্ন প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ-

মৌলিক স্বরধ্বনিঃ

১. মৌলিক স্বরধ্বনিঃ যে স্বরধ্বনিকে একক বা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় অর্থাৎ যে  স্বরধ্বনিকে ভেঙ্গে উচ্চারণ করা যায় না তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট ৭ টি। যথা-অ,আ,অ্যা,ই,উ,এ,ও।

২. যৌগিক স্বরধ্বনিঃ  একাধিক স্বরধ্বনি মিলে যে স্বরধ্বনি গঠিত হয় তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে অর্থাৎ যে ধ্বনিতে একাধিক স্বরধ্বনি পাওয়া যায় তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। যৌগিক স্বরধ্বনিকে দ্বিস্বর বা সন্ধ্যাক্ষর বলে। যৌগিক স্বরধ্বনি ২ টি। যথা-ঐ,ঔ।

নোটঃ ভাষা বিজ্ঞানীগণ বাংলা বর্ণমালায় ২৫ টি অনিয়মিত যৌগিক স্বর সনাক্ত করেছেন।

৩. হ্রস্বস্বরঃ যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে কম সময় লাগে তাকে হ্রস্বস্বর বলে। হ্রস্বস্বরের উচ্চারণ স্বাভাবিক। বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্বস্বর ৪ টি। যথা–

অ,ই,উ,—-

৪. দীর্ঘস্বরঃ যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে দীর্ঘ সময় লাগে তাকে দীর্ঘস্বর বলে। দীর্ঘস্বরের উচ্চারণে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। 

বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্বস্বর ৭ টি। যথা- আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ।

bcs exam syllabus
bcs exam syllabus

About Admin

আপনি এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে বিসিএস সকল টপিক অনুযায়ী পোষ্ট পাবেন । যা আপনার চাকুরি পরীক্ষায় অনেক টা কাজে আসবে। বিসিএস ক্যাডার রিভিউ ও তাদের মতামত পেতে আমাদের ওয়েব সাইটেই ভিজিট করতে পারেন। আপনি বিসিএস এর সকল বই পাবেন।

Leave a Reply