Home Bangla Bcs প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf part-02

প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf part-02

প্রত্যয় pdf,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf,
ইক প্রত্যয়,
ভেদ প্রত্যয়,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
অজেয় এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
উক্তি এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় মনে রাখার কৌশল,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রত্যয় অর্থ,
সর্বাঙ্গীণ এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
কৃদন্ত শব্দ কাকে বলে,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf
প্রত্যয় pdf,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf,
ইক প্রত্যয়,
ভেদ প্রত্যয়,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
অজেয় এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
উক্তি এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় মনে রাখার কৌশল,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রত্যয় অর্থ,
সর্বাঙ্গীণ এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
কৃদন্ত শব্দ কাকে বলে,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf
প্রত্যয় pdf,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf,
ইক প্রত্যয়,
ভেদ প্রত্যয়,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
অজেয় এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
উক্তি এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় মনে রাখার কৌশল,
প্রত্যয়ের উদাহরণ,
কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে,
তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,
প্রত্যয় অর্থ,
সর্বাঙ্গীণ এর প্রকৃতি প্রত্যয়,
কৃদন্ত শব্দ কাকে বলে,
প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf

১. (০) শূন্য – প্রত্যয়: কোনো প্রকার প্রত্যয় – চিহ্ন ব্যতিরেকেই কিছু ক্রিয়া – প্রকৃতি বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ রূপে বাক্য ব্যবহৃত হয়। এরূপ স্থলে (০) শূন্য প্রত্যয় ধরা হয়। যেমন – মোকদ্দমায় তোমার জিত্ হবে না,, হার্-ই হবে। গ্রামে খুব ধর্ পাক চলছে।

তদ্ধিত প্রত্যয়

তদ্ধিত শব্দের আক্ষরিক অর্থ – তাহার জন্য হিতকর। কিন্তু ব্যাকরণে এটি একটি প্রত্যয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়। যে প্রত্যয় শব্দমূলের শেষে যুক্ত হয়ে নতূন শব্দ তৈর করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি হিসাবে বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা প্রাতিপাদিক ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ প্রাতিপাদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।

প্রকার ভেদ: বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার

১. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়

২. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়

৩. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়

বাংলা বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ:

প্র্রকৃতি – চোর

প্রত্যয় – আ

গঠিত শব্দ – চোরা

(ক) অবজ্ঞার্থে : চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা।

(খ) বৃহদার্থে : ডিঙি + আ = ডিঙা (সপ্তডিঙা মধুকর)।

(গ) সদৃশ অর্থে: বাঘ + আ = বাঘা, হাত + আ = হাতা। এরূপ: কাল –কলা (চিকন কালা), কান –কানা।

(ঘ) ‘তাতে আছে’ বা ‘তার আছে’ অর্থে: জল + আ = জলা, গোদ + আ = গোদা। এরূপ: রোগ – রোগা, চাল – চালা, লুন –লুনা > লোনা।

(ঙ) সমষ্টি অর্থে : বিশ – বিশা, বাইশ – বাইশা (মাসের বাইশা > বাইশে।

(চ) স্বার্থে : জট + আ = জটা, চোখ – চোখা, চাক – চাকা।

(ছ) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে : হাজির – হাজিরা, চাষ – চাষা।

(জ) জাত ও আগত অর্থে : মহিষ > ভইস (ঘি). দখিনা > দখনে (হাওয়া)

২. ক. ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে: বড়+আই = বড়াই, চড়া+আই = চড়াই।

(খ) আদরার্থে : কানু +আই = কানাই, নিম + আই = নিমাই।

(গ) স্ত্রী বা পুরুষবাচক শব্দের বিপরীত বোঝাতে: বোন + আই = বোনাই, নগদ – নন্দাই, জেঠা – জেঠাই (মা)।

(ঘ) সমগুণবাচক বিশেষ্য গঠনে: মিঠা + আই = মিঠাই।

(ঙ) জাত অর্থে : ঢাকা + আই = ঢাকাই (জামদানি) , পাবনা – পাবনাই ( শাড়ি)।

(চ) বিশেষণ গঠনে : চোর – চোরাই ( মাল), মোগল – মোগলাই (পরোটা)।

৩. আমি / আম / আমো / মি –প্রত্যয়

(ক). ভাব অর্থে : ইতর + আমি = ইতরামি, পাগল + আমি = পাগলামি, চোর + আমি = চোরামি, বাঁদর + আমি = বাঁদরামি, ফাজিল + আমো = ফাজলামো।

(খ) বৃত্তি (জীবিকা) অর্থে: ঠক + আমো = ঠকামো (ঠকের বৃত্তি বা ভাব), ঘর + আমি = ঘরামি।

(গ) নিন্দা  জ্ঞাপন : জেঠা + আমি = জেঠামি, ছেলে + আমি = ছেলেমি।

৪. ই/ঈ – প্রত্যয়

(ক) ভাব অর্থে : বাহাদুর + ই = বাহাদুরি, উমেদার – উমেদারি।

(খ) বৃত্তি বা ব্যববসায় অর্থে : ডাক্তার  – ডাক্তারি, মোক্তার – মোক্তারি, পোদ্দার – পোদ্দারি, ব্যাপার – ব্যাপারি, চাষ – চাষি।

(গ) মালিক অর্থে : জমিদার – জমিদারি, দোকান – দোকানি।

(ঘ) জাত, অগাত বা সম্বন্ধ বোঝাতে: ভাগলপুর – ভাগলপুর, মাদ্রাজ – মাদ্রাজি, রেশম – রেশমি, সরকার – সরকারি (সম্বন্ধ বাচক)।

৫. ইয়া > এ – প্রত্যয়

(ক) তৎকালীন বোঝাতে: সেকাল + এ সেকেলে, একাল + এ = একেলে, ভাদর + ইয়া = ভাদরিয়া > ভাদুরে (কইমাছ)

৬. (ক) রোগগ্রস্ত অর্থে : জ্বর + উয়া = জ্বরুয়া > জ্বরো। বাত + উয়া = বাতুয়া > বেতো (ঘোড়া)।

(খ) যুক্ত অর্থে : টাক – টেকো।

(গ) সেই উপকরণে নির্মিত অর্থে: খড় – খড়ো (খড়ো ঘর)।

(ঘ) জাত অর্থে : ধান – ধেনো।

(ঙ) সংশ্লিষ্ট অর্থে : মাছ – মাছুয়া > মেছো। মাছ + উয়া = মাছ >মেছো

(ছ) বিশেষণ গঠনে : দাঁত  – দেঁতো (হাসি), ছাঁদ – ছেঁদো (কথা), তেল –তেলো > তেলা (মাথা) কুঁজ – কুঁজো (লোক) ।

৭. উ –প্রত্যয়: বিশেষণ গঠনে : ঢাল + উ = ঢালু, কল + উ = কলু।

৮. উক – প্রত্যয় : বিশেষণ গঠনে : লাজ – লাজুক, মিশ – মিশুক, মিথ্যা মিথ্যুক।

৯. আরি / আরী /আরু – প্রত্যয় : বিশেষণ গঠনে: ভিখ –ভিখারী, শাঁখ – শাঁখারি, বোমা –বোমারু।

১০. আলি/আলো/আলি/আলী>এল – প্রত্যয় : বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে: দাঁত – দাঁতাল, লাঠি – লাঠিয়াল > লেঠেল, তেজ – তেজাল, ধার – ধারাল, শাঁস – শাঁসাল, জমক –জমকালো, দুধ – দুধাল >দুধেল, হিম – হিমেল, চতুর – চতুরালি, ঘটক  – ঘটকালি, সিঁদ – সিঁদেল, গাঁজা – গেঁজেল।

১১. উরিয়া > উড়িয়া / উড়ে /রে – প্রত্যয়: হাট – হাটুরিয়া > হাটুরে, সাপ – সাপুড়িয়া > সাপুড়ে, কাঠ – কাঠুরে।

১২. উড় – প্রত্যয় : অর্থহীনভাবে : লেজ – লেজুড়।

১৩. উয়া/ওয়া>ও –প্রত্যয়: সম্পর্কিত অর্থে : ঘর + ওয়া ঘরোয়া, জল + উয়া =জলুয়া > জলো (দুধ)।  

সংস্কৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তদ্ধিত প্রত্যয়:

ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণ, ষ্ণিক, ইত, ইমন, ইল, ইস্ট, ঈন, তর, তম, তা, ত্ব, নীন, নীয়, বতুপ, বিন, র, ল, প্রকৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। নিচে কতগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত  প্রত্যয়ের উদাহরণ দেয়া হলো –

১. যে শব্দের সঙ্গে ষ্ণ (অ) – প্রত্যয় যুক্ত হয়, তার মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়। যথা – নগর + ষ্ণ = নাগর, মধুর + ষ্ণ = মাধুর্য।

বৃদ্ধি : (১) অ –স্থানে আ, (২) ই, ঈ – স্থানে ঐ, (৩) উ, ঊ – স্থানে ঔ এবং (৪) ঋ স্থানে আর হওয়াকে বৃদ্ধি বলে।

২. যে শব্দের সঙ্গে ষ্ণ (অ)প্রত্যয় যুক্ত হয়, তার প্রাতিপদিকের অন্ত্যস্বরের উ –কারও ও কারে পরিণত হয়। ও + অ সন্ধিতে ‘অব’ হয়। যথা – গুরু + ষ্ণ = গৌরব, লঘু + ষ্ণ = লাঘব, শিশু + ষ্ণ= শৈশব, মধু + ষ্ণ = মাধব, মনু + ষ্ণ = মানব।

৩. দুটি শব্দের দ্বারা গঠিত সমাসবদ্ধ শব্দের অথবা উপসর্গযুক্ত শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উপসর্গসহ শব্দের বা শব্দ দুটির মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়। যথা –

ক. পরলোক + ষ্ণিক = পারলৌলিক।

সুভগ + ষ্ণ্য = সৌভাগ্য।

পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাষ্ণভৌতিক।

সর্বভূমি + ষ্ণ = সার্বভৌম।

ব্যতিক্রম: ‘বর্ষ’ শব্দ পরপদ হলে পূর্ব পদের সংখ্যাবাচক শব্দের মূল স্বরের বৃদ্ধি হয় না। যথা – দ্বিবর্ষ + ষ্ণিক = দ্বিবার্ষিক। সংখ্যাবাচক শব্দ না থাকলেও নিয়মমতো মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়। যেমন – বর্ষ + ষ্ণিক = বার্ষিক।

৪. ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই এবং ঈ –এর লোপ হয়। যথা – সম্+য = সাম্য, কবি +য = কাব্য, মধুর + য = মাধুর্য, প্রাচী + য = প্রাচ্য।

ব্যতিক্রম : সভা + য =সভ্য (‘সাভ্য’ নয়)

কুসুম + ইত = কুসুমিত, তরঙ্গ + ইত = তরঙ্গিত, কণ্টক + ইত = কণ্টকিত।

২. ইমন্ – প্রত্যয় : বিশেষ্য গঠনে

নীল + ইমন = নীলিমা।  মহৎ + ইমন = মহিমা।

৩. ইল্ – প্রত্যয় : উপকরণজাত বিশেষণ গঠনে

পঙ্ক + ইল্ = পঙ্কিল, ঊর্মি + ইল্ = ঊর্মিল, ফেন + ইল্ = ফেনিল।

৪. ইষ্ঠ – প্রত্যয় : অতিশায়নে

গুরু + ইষ্ঠ = গরিষ্ঠ, লঘু + ইষ্ঠ = লঘিষ্ঠ।

৫. ইন্ (ঈ) – প্রত্যয় : সাধারণ বিশেষণ গঠনে

জ্ঞান + ইন্ = জ্ঞানিন্

সুখ + ইন্ = সুখিন্।

গুণ + ইন্ = গুণিন্

মান + ইন্ = মানিন্।

সমাসে ইন্ প্রত্যয়ান্ত শব্দের পরে তৎসম শব্দ থাকলে ইন্ প্রত্যায়ান্ত শব্দের ন্ লোপ পায়। যেমন – জ্ঞানীগণ, গুণীগণ, সুখীগণ, মানিজন ইত্যাদি।

কর্তৃকারকের এক বচনে ইন্ প্রত্যয় ঈ রূপ গ্রহণ করে। যেমন – জ্ঞান + ইন্ (ঈ) – জ্ঞানী, গুণ + ইন্ (ঈ) গুণী ইত্যাদি।

স্ত্রী লিঙ্গে ইন্ প্রত্যায়ান্ত শব্দের পরে ঈ – যুক্ত হয়ে ইনী রূপ গ্রহণ করে। যেমন – জ্ঞান + ইনী = জ্ঞানিনী, গুণ + ইনী = গুণিনী ইত্যাদি।

৬. তা ও ত্ব – প্রত্যয়: বিশেষ্য গঠনে

বন্ধু + তা = বন্ধুতা,

শত্রু + তা = শত্রুতা

বন্ধু + ত্ব = বন্ধুত্ব,

গুরু + ত্ব = গুরুত্ব।

ঘন  + ত্ব = ঘনত্ব।

মহৎ + ত্ব = মহত্ব।

৭. তর ও তম প্রত্যয় : অভিশায়নে

মধুর – মধুরতর, মধুরতম। প্রিয় – প্রিয়তর, প্রিয়তম।

৮. নীন (ঈন্) – প্রত্যয় : তৎসম্পর্কিত অর্থে বিশেষণ গঠনে

ক. সর্বজন + নীন = সর্বজনীন, কুল + নীন = কুলীন, নব + নীন = নবীন

৯. নীয় (ঈয়) – প্রত্যয় : বিশেষণ গঠনে

জল + নীয় = জলীয়, বায়ু + নীয় = বায়নীয়, বর্ষ + নীয় = বর্ষীয়।

১০. গুণ +বতুপ্ = গুণবান, দয়া + বতুপ্ = দয়াবান।

শ্রী + মতুপ = শ্রীমান, বুদ্ধি + মতুপ্ = বুদ্ধিমান।

১১. বিন (বী) প্রত্যয় : আছে অর্থে বিশেষণ গঠনে

মেধা + বিন্ = মেধাবী, মায়া + বিন্ = মায়াবী, তেজঃ +বিন্ =তেজস্বী, যশঃ +বিন্ =যশস্বী।

১২. র-প্রত্যয় : বিশেষ্য গঠনে

মধু +র = মধুর, মুখ +র = মুখর

১৩. ল – প্রত্যয় : বিশেষ্য গঠনে

শীত +ল = শীতল, বৎস + ল = বৎসল।

১৪. ষ্ণ (অ) প্রত্যয়

(ক) অপত্য অর্থে : মনু +ষ্ণ = মানব, যদু + ষ্ণ = যাদব।

(খ) উপাসক অর্থে = শিব + ষ্ণ = শৈব, জিন + ষ্ণ = জৈন। এরূপ: শক্তি –শাক্ত, বুদ্ধ – বৌদ্ধ, বিষ্ণু – বৈষ্ণব।

(গ) ভাব অর্থে : শিশু + ষ্ণ = শৈশব, গুরু + ষ্ণ = গৌরব

(ঘ) সম্পর্ক বোঝাতে: পৃথিবী +ষ্ণ = পার্থিব, দেব + ষ্ণ = দৈব, চিত্র (একটি নক্ষত্রের নাম) + ষ্ণ = চৈত্র।

নিপাতনে সিদ্ধ : সূর্য + ষ্ণ = সৌর (সাধারণ নিয়মে সুর + ষ্ণ (অ) সৌর।

১৫. ষ্ণ্য (য) প্রত্যয়:

(ক) অপত্যার্থে : মনুঃ + ষ্ণ্য = মনুষ্য , জমদগ্নি + ষ্ণ্য = জামদগ্ন্য।

(খ) ভাবার্থে : সুন্দর + ষ্ণ্য = সৌন্দর্য, শূর + ষ্ণ্য = শৌর্য।  ধীর + ষ্ণ্য = ধৈর্য, কুমার + ষ্ণ্য = কৌমার্য।

(গ) বিশেষণ গঠনে : পর্বত + ষ্ণ্য = পার্বত্য, বেদ + ষ্ণ্য = বৈদ্য।

১৬. ষ্ণি (ই) প্রত্যয় : অপত্য অর্থে

রাবণ + ষ্ণি = রাবণি (রাবণের পুত্র), দশরথ + ষ্ণি = দাশরথি।

১৭. ষ্ণিক (ইক) – প্রত্যয়

(ক) দক্ষ বা বেত্তা অর্থে : সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক, বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক, বিজ্ঞান +  ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক।

(খ) বিষয়ক অর্থে : সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক, মাস – মাসিক, ধর্ম – ধার্মিক, সমর – সামরিক, সমাজ –সামাজিক।

(গ) বিশেষণ গঠনে : হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক, অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক।

১৮. ষ্ণেয় (এয়) – প্রত্যয়:

ভগিনী + ষ্ণেয় = ভাগিনেয়, অগ্নি + ষ্ণেয় = আগ্নেয়, বিমাতৃ (বিমাতা) + ষ্ণেয় =বৈমাত্রেয়।

বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়: বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে যেমন: বিভিন্ন বিদেশি ভাষা জ্ঞান পেয়েছে তেমনি বেশ কিছু বিদেশি ভাষার প্রত্যয় ও স্থান দখল করে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে। এদের মধ্যে হিন্দি ও ফার্সি ভাষার কিছু প্রত্যয় নিচে উল্লেখ করা হলো-

বাংলা ভাষা  – পারসি (ফার্সি)

তর > তুল্য, সাদৃশ্য অর্থে, যেমনতর, কেমনতর।

গিরি > বৃত্তি, ব্যবহার অর্থে > কেরানিগিরি, বাবুগিরি

গর > নির্মাতা অর্থে > কারিগর, বাজিগর।

খোর > অভ্যস্তার্থে > সুদখোর, আফিমখোর।

দান /দানি > পাত্র বা আধারার্থে > ধূপদান, মোমদানি।

দার > অস্ত্যর্থে > চৌকিদার, দোকানদার।

বাজ / বাজি > দক্ষ অর্থে > চাপাবাজ, গলাবাজি।

সই / সহি > উপযুক্ত অর্থে > মানানসই টেকসই।

নবিশ > অভিজ্ঞ অর্থে > পত্রনবিশ, নকলনবিশ।

বন্দ /বন্দি > সংযুক্ত অর্থে > নজরবন্দ, নজরবন্দি।

খানা > বাস বা কার্যস্থল অর্থে > জেলখানা, ছাপাখানা।

মন্দ্ > সম্পন্ন অর্থে > আক্কেলমন্দ, দরদমন্দ্।

বাংলা ভাষায় হিন্দি তদ্ধিত প্রত্যয়

সা / সে > মতো অর্থে > পানসা, পানসে, কালসা, কালসে।

আন / ওয়ান > অস্ত্যর্থে > গাড়োয়ান, বাগোয়ান > বাগান।

আনা / আনি > ভাব, কাজ অর্থে > বাবুয়ানা, বাবুয়ানি।

আলা /ওয়ালা > অধিকার অর্থে > বাড়িআলা, ডিমওয়ালা

পনা > সাদৃশ্যসূচক অর্থে > বেহায়াপনা, ছেলেপনা

Keyword :

প্রত্যয় pdf,

প্রত্যয়ের উদাহরণ,

প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf,

ইক প্রত্যয়,

ভেদ প্রত্যয়,

তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ,

অজেয় এর প্রকৃতি প্রত্যয়,

উক্তি এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়,

প্রকৃতি ও প্রত্যয় pdf part-01

প্রকৃতি ও প্রত্যয় এর ১ম পর্ব পড়তে চাইলে ক্লিক করুন

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Best SEO For WordPress Websites

Search Engine Optimization (SEO) is a vital part of any website. In this article, I will present several tips on how to do SEO...

To Make Money – Building Custom WordPress Themes

The rise of the internet has led to new wonders that we never would have dreamed of a few years ago. People would have...

How To Decide – What Products to Promote Affiliate Marketing?

If you are familiar with working at home, you have probably heard of many people become successful as affiliate marketers to make money online....

Free 7 Steps to Creating Digital Products

Creating digital products can seem like a daunting task, especially if you are a new consultant or coach, or if you're not technically savvy....

Recent Comments

scr888 download on balaka pdf download
Vibrators on bcs preparation bangla
izgutebozuta on bcs preparation bangla
Burmeister on balaka pdf download
joynal on Freelancing