Breaking News

ব্যঞ্জন ধ্বনির প্রকারভেদ Next Bcs

ব্যঞ্জন ধ্বনির প্রকারভেদ


১. স্পর্শ ধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস কণ্ঠ্য,তালব্য,ওষ্ঠ্য কোনো না কোনো অংশে বাধাপ্রাপ্ত হয় তাকে স্পর্শ ধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫ টি ধ্বনিকে স্পর্শ ধ্বনি বলে।

২. উষ্ম বা শিস ধ্বনিঃ ফুসফুস তাড়িত বাতাস বেড়িয়ে যাওয়ার সময় মুখবিবরের বিভিন্ন জায়গায় পথ সংকীর্ণ যাওয়ার ফলে চাপা খেয়ে ঘর্ষণৎাত এক ধরণের শিসধ্বনি শোনা য়ায় তাকে উষ্ম বা শিস ধ্বনি বলে।
অর্থাৎ যে সকল ধ্বনি উচ্চারণে শ্বাস ইচ্ছে মতো টানা যায় তাকে উষ্ম বা শিস ধ্বনি বলে। শিস ধ্বনি ৪টি । যথা-শ,ষ,স,হ।

৩. অন্তঃস্থধ্বনিঃ স্পর্শ ও শিস বর্ণের মধ্যস্থান থেকে যে সকল ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে অন্তঃস্থধ্বনি বলে। যেমন-য,র,ল

৪. পরাশ্রয়ী ধ্বনিঃ যে সকল ধ্বনি অন্য ধ্বেিক আশ্রয় করে উচ্চারিত হয় তাকে পরাশ্রযী ধ্বনি বলে। পরাশ্রয়ী ধ্বনি কখনো শব্দের প্রথমে বসে না। পরাশ্রয়ী ধ্বনি ৩ টি। যথা–ং, ঃ ঁ

কাজী নজরুল ইসলামের সংক্ষিপ্ত জীবনী, কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা, কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের গান, কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ pdf, কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি, কাজী নজরুল ইসলাম ছবি, কাজী নজরুল ইসলাম প্রমিলা দেবি, কাজী নজরুল ইসলামের ছদ্মনাম কি,
কাজী নজরুল ইসলাম

৫. তাড়নজাত ধ্বনিঃ জিহ্বার ডগায় সামান্যতম স্পর্শে মুখবিবরের বায়ুপথ বের করে যে ধ্বনি । যেমন-ড়,ঢ়

ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ
অঘোষ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনি উচ্চারণের স্থান
অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ নাসিক্য
ক খ গ ঘ ঙ কন্ঠ্য
চ ছ জ ঝ ঞ তালব্য
ট ঠ ড ঢ ণ মূর্ধন্য
ত থ দ ধ ন দন্ত্য
প ফ ব ভ ম ওষ্ঠ্য

৬. অঘোষ ধ্বনিঃ যে সব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না তাকে ঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণকে অঘোষ ধ্বনি বলে।

৭. ঘোষ ধ্বনিঃ যে সব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় তাকে ঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গের তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণকে ঘোষ ধ্বনি বলে।

৮. অল্পপ্রাণ ধ্বনিঃ যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ^াস জোরে উচ্চারিত না হলে তাকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

৯. মহাপ্রাণ ধ্বনিঃ যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ^াস জোরে উচ্চারিত হলে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি।

১০. নাসিক্য ধ্বনিঃ যে সব ধ্বনি উচ্চারণে ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবর দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে অথবা নাক ও মুখ উভয় দিয়ে বের হয় তাকে নাসিক্য ধ্বনি বলে। নাসিক্য ধ্বনি স্পর্শ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। নাসিক্য ধ্বনি ৫ টি। যথা–ঙ,ঞ,ণ,ন,ম।

১১.

মাত্রা
মাত্রা পূর্ণমাত্রা অর্ধমাত্রা মাত্রাহীন
স্বরধ্বনি (১১) ৬ ১ ১
ব্যঞ্জনধ্বনি (৩৯) ২৬ ৭ ৬
মোট ধ্বনি (৫০) ৩২ ৮ ১০

ফলা
ব্যঞ্জন বর্ণের সাথে ব্যঞ্জন বর্ণযুক্ত হওয়ার পক্রিয়াকে ফলা বলা হয়। যে বর্ণটি যুক্ত তার নামানুসারে ফলার নামকরণ ফলার নামরকণ হয়। যেমন-ম যুক্ত হলে ম-ফলা, ব যুক্ত হলে ব-ফলা। ৬ টি বর্ণ ফলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্ণ গুলো হলো—
য,ব,র,ল,ম,ন/ণ
নোটঃ ব-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না তবে ব-ফলা যুক্ত বর্ণ শব্দের মধ্যে অবস্থান করলে যার সাথে ব-ফলা যুক্ত হয় তার উচ্চারণ দ্বিত্ব হয়।

ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত তথ্যকণিকাঃ

ভাষার মূল ভিত্তি ধ্বনি।

ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি,ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।

বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি দুই প্রকার। যথা- স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।

ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বর্ণ বলে।

বাংলা বর্ণমালায় মোট ধ্বনি ৫০ টি।

স্বরধ্বনি ১১ টি ও ব্যঞ্জন ধ্বনি ৩৯ টি।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি ৭ টি। যথা–অ,আ,অ্যা,ই,উ,এ,্ও।

বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনিকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।

বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনিকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে।

বর্গের পঞ্চম বর্ণকে নাসিক্য ধ্বনি বলে।

দুটি মৌলিক স্বরধ্বনি সহযোগে উচ্চারিত হলে তাকে যৌগিকস্বর/দ্বিস্বর/সন্ধ্যাক্ষর বলে।

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর ২ টি। যথা–ঐ (ও+ই), ঔ (ও+উ)।

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।

ব্যঞ্জন বর্ণের সং ক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে।

অ্যা ধ্বনিটির বর্ণ পরিচয় নেই। ধ্বনিটির আবিষ্কারক ধ্বনিতত্ত্ববিদ আব্দুল হাই।

অ ধ্বনি কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।

উচ্চারণের কাল অনুসারে ধ্বনি ২ প্রকার। হ্রস্বরস্বর ও দীর্ঘস্বর।

উচ্চারণের কম লাগলে হ্রস্বস্বর বলে । হ্রস্বস্বর ৪ টি। যথা–অ,ই ,উ. —-

উচ্চারণের সময় বেশি লাগলে দীর্ঘস্বর বলে। দীর্গস্বর ৭ টি। যথা –আ, ঈ, ঊ, এ,ঐ, ্ও, ঔ।

বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় অঘোষ এবং তৃতীয়,চতুর্থ ঘোষ ধ্বনি।

উচ্চারণের নাম অনুসারে চ বর্গের ধ্বনি গুলো তালব্য বর্ণ।

বাংলা ভাষায় ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন ধ্বনির সংখ্যা ৫ টি।

বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি ২৫টি।

অক্ষর উচ্চারণের কাল পরিমাণকে ধ্বনি বলে।

ম একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি।

ত,থ,দ,ধ দন্ত্যধ্বনি।

পূর্ণমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৩২ টি।

অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮ টি।

মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০ টি।

ক—ম পর্যন্ত ২৫ টি ধ্বনিকে বলে স্পর্শ ধ্বনি বলে।

পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩ টি । যথা-ং , ঃ, ঁ

ড়,ঢ় কে তাড়নজাত ধ্বনি বলে।

ল কে বলা হয় পাশ্বিক ধ্বনি।

র কে বলা হয় কম্পনজাত ধ্বনি।

উষ্ম বা শিস ধ্বনি ৪ টি। যথা–শ,ষ,স,হ।

অনুনাসিক বর্ন ৫ টি। যথা—-ঙ , ঞ, ্ণ,্ন, ম।

য,র,ল,ব কে বলে অন্ত:স্থ ধ্বনি।

বিজ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রুপ জ+ঞ

ক্ষ্র এর বিশিষ্ট রুপ হ+ম

এক বা একাধিক ধ্বনি সম্মিলনে তৈরি হয় শব্দ।

ব্যতীত শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ বেতিতো।

সম্মুখ স্বরধ্বনি ৩টি। যথা ইঈ,এ,অ্যা।

পশ্চাৎ স্বরধ্বনি ৩ টি। যথা–উঊ,ও,অ।

ধ্বনি উৎপাদনে মূল উপকরণ জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য।

প্রকৃত প্রস্তাবে ঋ কোনো স্বরধ্বনি নয়।

আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে আগত ধ্বনির উচ্চারণ দীর্র্ঘ হয়।

বাংলা আ উচ্চারণ বিবৃত।

পদের অন্তে এ ধ্বনির উচ্চারণ সংবৃত।

বাংলা ব্যাকরণে কার ১০ টি।

পদের মধ্যেঃ (বিসর্গ) থাকলে পরবর্তী ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হয়।

ম ফলা শব্দের প্রথমে থাকলে উচ্চারণ উহ্য থাকে।

ধ্বনিতত্ত্বকে ইংরেজিতে— বলে।

বর্ণ পরিচয় গ্রন্থটি লিখেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

যে বর্ণমালায় বাংলা ভাষা লিখতে হয় বঙ্গলিপি।

স্বরর্বণ বা ব্যঞ্জনের মাথায় যে দাগ থাকে তাকে মাত্রা বলে।

উষ্ম শব্দের ষ যুক্তাক্ষরে বিষিষ্ট রুপ–ষ+ণ

বাংলা বর্ণমালায় ফলা ৬ টি।

About Admin

আপনি এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে বিসিএস সকল টপিক অনুযায়ী পোষ্ট পাবেন । যা আপনার চাকুরি পরীক্ষায় অনেক টা কাজে আসবে। বিসিএস ক্যাডার রিভিউ ও তাদের মতামত পেতে আমাদের ওয়েব সাইটেই ভিজিট করতে পারেন। আপনি বিসিএস এর সকল বই পাবেন।

Leave a Reply